শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
রবি মৌসুমের সবজিতে স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা জুয়া খেলায় নিষেধ করায় কলেজ শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কৃষকেরা রোপা-আমন ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে দলিল লেখক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি সিরাজুল ও সাধারণ সম্পাদক হামিদুর ইস্কাপ সিরাপসহ মোটর সাইকেল এবং বিভিন্ন মালামাল জব্দ অনলাইন জুয়ার প্রতিবাদ করায় কলেজ শিক্ষককে কুপিয়ে জখম : সেই শিক্ষকের ৮দিনেও জ্ঞান ফেরেনি গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য মৃৎ শিল্প হারিয়ে যাচ্ছে ‎যানজটে নাকাল লালমনিরহাটের শহরবাসী ইস্কাপ সিরাপ এবং গাঁজাসহ মোটর সাইকেল জব্দ তিস্তা নদীর পানি আবারও বিপদসীমার ১সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত
আগামীকাল ৬ ডিসেম্বর লালমনিরহাট মুক্ত দিবস

আগামীকাল ৬ ডিসেম্বর লালমনিরহাট মুক্ত দিবস

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: আগামীকাল রোববার (৬ ডিসেম্বর) লালমনিরহাট মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে লালমনিরহাট জেলা পাকিস্তানী হানাদার মুক্ত হয়েছিল। ১৯৭১ সালের এই দিনে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বাংলার বীর সেনানী মুক্তিযোদ্ধারা জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে বিজয়ের পতাকা উড়িয়ে ছিলেন। বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভাগীয় শহর খ্যাত লালমনিরহাট ছিল বিহারী অধ্যুষিত এলাকা। এদের সহযোগিতায় পাকিস্তানী হানাদাররা নির্বিচারে নির্মমভাবে শুধু হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে ক্ষান্ত হননি, তারা বাঙ্গালী নারী-শিশুদের পৈশাচিক নির্যাতন করে হত্যা করেছিল। তৎকালীন প্রভাবশালীরা তৈরি করেছিল রাজাকার বাহিনী। পাকিস্তানী হানাদারদের দোসররা চালিয়েছিল ব্যাপক লুটপাট। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বুলেটের আঘাত আর রনকৌশলে ৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা তিস্তা বাংলাদেশ রেলওয়ে সেতু পাড়ি দিয়ে লালমনিরহাট ছাড়তে বাধ্য হয়। ওই দিন সূর্যোদয়ের সাথে সাথেই জয় বাংলা শ্লোগানে মুখরিত হয়েছিল লালমনিরহাট। তারা উড়িয়েছিল স্বাধীনতার লাল সবুজের বিজয়ের পতাকা। জাতীয় বিজয়ের ১০দিন পূর্বেই লালমনিরহাট পাকিস্তানী হানাদার মুক্ত হওয়া এ জেলার মানুষের সংগ্রামী আত্মত্যাগের পরিণতি। ফলে ৬ ডিসেম্বর বর্তমান লালমনিরহাট জেলার ভৌগলিক সীমানা পাকিস্তানী বাহিনী মুক্ত হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone